• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৩ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি

হামলাকারীরা উচ্চশিক্ষিত, ধনী পরিবারের সন্তান

2সিসি ডেস্ক: ঢাকার গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় ২০ জন অতিথিকে জবাই করে হত্যা করেছে যে ৭ জঙ্গি তারা সবাই একটি স্থানীয় জঙ্গি সংগঠনের সদস্য। কথিত ইসলামিক স্টেটের (আইএস) সাথে তাদের কোনো যোগাযোগ নেই। এমনটিই দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, হামলাকারীরা সবাই বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া উচ্চ শিক্ষিত তরুণ। তাদেরকে ধনী পরিবারের সন্তান হিসেবেও বর্ণনা করেন তিনি।
জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়া বর্তমানে একটি ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে উল্লেখ করে আসাদুজ্জামান খান বলেন, এরা কেউই কখনোই মাদ্রাসায় পড়তে যায়নি।
এরই মধ্যে হামলাকারীদের ছবি প্রকাশ করেছে ইসলামিক স্টেটের বার্তা সংস্থা ‘আমাক’। আইএসপিআর থেকে হামলাকারীদের মৃতদেহের যে ছবি প্রকাশ করা হয়েছে সেগুলোর সাথে ‘আমাকে’ প্রকাশিত জঙ্গিদের চেহারা অনেকাংশেই মিলছে।
এর আগে শুক্রবার রাতেই ‘আমাক’র বরাত দিয়ে জঙ্গি কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট ‘সাইট ইন্টেলিজেন্স গ্রুপ জানায়, হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁর হামলার দায় স্বীকার করেছে আইএস এবং জঙ্গিরা ২০ জনকে হত্যা করেছে। এমনকি কমান্ডো অভিযানের আগেই হলি আর্টিজান রেস্তোরার ভেতরের হত্যাযজ্ঞ এবং জবাই করা মৃতদেহের ছবি প্রকাশ করা হয় সাইটে।
পরে শনিবার সকালে সেনাবাহিনীর যৌথ কমান্ডো অভিযান শেষে হলি আর্টিজানে ২০ জনেরই জবাই করা মৃতদেহ পাওয়া যায়। এদের মধ্যে ১৭ জন বিদেশী, দুইজন বাংলাদেশী এবং একজন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক।
কমান্ডো অভিযানে ছয়জন হামলাকারী নিহত হলেও একজনকে জীবিত আটক করা হয়েছে। তাকে সেনাবাহিনীর গোয়েন্দারা এখন জিজ্ঞাসাবাদ করছে।
1এদিকে ফেসবুকে কিছু তরুণের প্রোফাইল নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। এসব প্রোফাইলের কোনো কোনোটির মালিকের সঙ্গে হামলাকারীদের চেহারার মিল পাওয়া যাচ্ছে।
তিনজনের প্রোফাইল ঘেঁটে দেখা গেছে তারা ঢাকায় নামকরা ইংরেজি মাধ্যম স্কুল ও শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠ গ্রহণ শেষে মালয়েশিয়ার মনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে গিয়েছিলেন। আইএসপিআর এবং ইসলামিক স্টেটের বার্তা সংস্থা আমাক হামলাকারীদের যে ছবি প্রকাশ করেছে সেসব ছবির সাথে এই প্রোফাইলের মালিকদের চেহারা মিলে যাচ্ছে।
একজন প্রোফাইলের মালিকের বাবার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তার অফিসের ফোনটিও কেউ ধরেননি। আরেকজনের প্রোফাইল আজ ভোররাত ৩টা পর্যন্ত বহুবার শেয়ার হয় ফেসবুকে।
তাদের বাবা-মা, আত্মীয়-পরিজন, বন্ধু-বান্ধবের ছবিও বহুবার শেয়ার হয়। এরপর থেকেই প্রোফাইলটি অকার্যকর দেখা যায়। এমনকি তার পরিবারের সদস্যদের প্রোফাইলও অকার্যকর দেখা যায়।
কিন্তু এরাই গুলশানের হামলাকারীরা কিনা তা শতভাগ নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হামলাকারীদের যে নাম প্রকাশ করেছে তার সাথে এসব প্রোফাইল ধারীদের নামও মিলছে না। সূত্র: বিবিসি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ